• ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ০১ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Koustav Bagchi

রাজনীতি

শেষমেশ শুভেন্দুর হাত থেকে গেরুয়া পতাকা তুলে নিলেন কৌস্তভ

দীর্ঘ মতবিরোধের পর হাতের সঙ্গ ত্যাগ করেছিলেন বুধবার। এরপর তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বিজেপির দিকেই ধাবিত হবে? এই নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। শেষপর্যন্ত বিজেপিতে-ই যোগ দিলেন আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী। বৃহস্পতিবার বিজেপি দফতরে কৌস্তভের হাতে পদ্মপতাকা তুলে দেন শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদাররা।বিগত বেশ কয়েকমাস যুব নেতা কৌস্তভের সঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের সম্পর্ক ভাল ছিল না। ইন্ডিয়া জোটে তৃণমূলের সঙ্গে কংগ্রেসের অবস্থানকে কেন্দ্র করে ফাটলের সূত্রপাত। পরে তৃণমূল বিরোধীতায় অধীর চৌধুরীর অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন এই আইনজীবী নেতা। কংগ্রেস থেকেই সেই পর্বে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসা শোনা গিয়েছিল কৌস্তভ বাগচীর গলায়। এমনকী পতাকাছাড়া শুভেন্দু ও কৌস্তুভকে ডিএ আন্দোলন বা শিক্ষা দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনেও দেখা যায়। শেষমেষ গতকাল কংগ্রেস ছাড়েন তিনি। আর বৃহস্পতিবার যোগ দিলেন গেরুয়া শিবিরে।কেন বিজেপিতে তাঁর যোগদান? সেই ব্যাখ্যায় এদিনও কৌস্তভ বাগচীর মুখে কংগ্রেসের সমালোচনা শোনা গেল। বললেন, মানুষের চাহিদা পূরণ না করতে পারলে তো রাজনীতি করার কোনও অর্থ নেই। যেখানে প্রদেশ কংগ্রেসের গুরুত্ব নেই। সেখানে সে দলের সঙ্গে থাকার কোনও অর্থ নেই। এখনও সেখানে থাকলে নিজেকে অসম্মানিত করা হবে। সন্দেশখালি নিয়ে কংগ্রেসের উচ্চ নেতৃত্ব চুপ। আমার মনে হচ্ছে দিনের পর দিন কংগ্রেস যেভাবে তৃণমূল নিয়ে নরম মনোভাব দেখাচ্ছে, সেখানে আত্ম মর্যাদা নিয়ে সেই দলে থাকা যায় না।কৌস্তভের সাফ দাবি, সন্দেশখালিকাণ্ডে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। অথচ কংগ্রেসের কোনও বক্তব্য নেই। দলের মধ্যেও এ নিয়ে অসন্তোষের থাকলেও কেউ বলছেন, কেউ বলছেন না। আমার মনে হয়েছে এখানে থাকাটা নিজের আত্মমর্যাদার সঙ্গে সমঝোতা করা। এই তৃণমূলের প্রতি নরম অবস্থান নিয়ে রাজ্যে তৃণমূলকে উৎখাত করা যাবে না।দুয়ারে লোকসভা ভোট। পদ্ম প্রতীকে প্রার্থী হবেন তিনি? কৌস্তভ বলেন, আমি কোনও শর্তে দল করি না। চাওয়া পাওয়ার জায়গা নেই। অত্যাচারী শাসকদলকে এ রাজ্য থেকে উৎখাত করতেই বিজেপিতে যোগদান।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, কৌস্তভ ভাল যুবনেতা। মমতা সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলেন। এলাকায় যান। এ জন্য পুলিশ তাঁকে গ্রেফতারও করেছে। আমরা চাই কৌস্তভ বাগচী বিজেপিতে ভাল করে কাজ করতে পারবেন। আমাদের সকলের একটাই লক্ষ্য- দেশে মোদীজির হাত শক্তিশালী করা ও বাংলা থেকে মমতা কোম্পানিকে উৎখাত করা।বিজেপিতে যোগ দিয়েই কৌস্তভ বাগচী বলেন, মানুষের চাহিদা পূরণ না করলে তো রাজনীতি করার কোনও অর্থ নেই। যেখানে প্রদেশ কংগ্রেসের গুরুত্ব নেই। সেখানে সে দলের সঙ্গে থাকার কোনও অর্থ নেই। সন্দেশখালি নিয়ে কংগ্রেসের উচ্চ নেতৃত্ব চুপ। আমার মনে হচ্ছে দিনের পর দিন কংগ্রেস যেভাবে তৃণমূল নিয়ে নরম মনোভাব দেখাচ্ছে, সেখানে আত্ম মর্যাদা নিয়ে সেই দলে থাকা যায় না।কৌস্তভ ছাড়াও এদিন হাত শিবির ছেড়ে বিজেপিতে নাম লেখান কংগ্রেস নেতা শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, সিদ্ধার্থ মজুমদার এবং শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ সৌমিত্র দত্ত।

ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২৪
রাজনীতি

হাইকমান্ডকে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দল ছাড়লেন আইনজীবী কংগ্রেস নেতা, লক্ষ্য কি গেরুয়া শিবির?

অবশেষে দল ছাড়লেন আইনজীবী কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী। হাইকমান্ডের সাথে তৃণমূল কংগ্রেসের সখ্যতা নিয়ে বারবার প্রতিবাদ করেছেন, প্রশ্ন তুলেছিলেন নানা মহলে। তৃণমূল বিরোধিতায় নানা পরিস্তিতিতে তুলোধোনা করতে ছাড়েননি রাজ্য কংগ্রেস নেতৃত্ব থেকে শুরু করে সর্বভারতীয় শীর্ষ নেতৃত্ব পর্যন্ত।রাজ্যের নানা বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি কংগ্রেস হাইকমান্ডের শীতল মনোভাব নিয়ে বহুবার কড়া সমালোচনা করেছেন। গর্জে উঠেছেন সামাজিক মাধ্যম থেকে শুরু করে টিভি প্যানেল ডিসকাশান অবধি। এরই পাশাপাশি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে কৌস্তভের।২০২৩ এর মার্চ মাসে কৌস্তভের গ্রেপ্তারের অব্যবহিত পরেই শুভেন্দু অধিকারী কৌস্তভের গ্রেপ্তারের বিরোধিতা করে বক্তব্য রাখেন। রাজনীতির ময়দানে দুজনে চরম বিরোধী হলেও কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে মুখর হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, সম্প্রতি মমতা সরকারের দুর্নীতি, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে যে কয়েকজন যুবক সোচ্চার হয়েছেন তাঁদের মধ্যে কৌস্তভ অন্যতম। তাঁর দ্রুত মুক্তির দাবি করি। পুলিশ যে কায়দায় রাত তিনটের সময় ওঁর বাড়িতে গিয়ে হামলা চালিয়েছে তার প্রতিবাদ করছি। আমরা সোচ্চার হবো। এর পর থেকেই দুজনের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে বলে রাজনৈতিক মহলের দাবী। বিশিষ্টদের ধারণা এখন হাতএ ফুল (পড়ুন পদ্ম) ধরা সময়ের অপেক্ষা।লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন, তার উত্তরে কৌস্তভ বাগচীর জানান, কংগ্রেস হাইকমান্ডের কাছে রাজ্য তৃণমূলরেই বেশি গুরুত্ব। প্রদেশ কংগ্রেসের কোনও গুরুত্বই নেই। কংগ্রেস তার রাজনৈতিক সত্তা হারিয়েছে, ঠিক সেই কারণেই পদত্যাগ বলে দাবি করেছেন আইনজীবী কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৪
রাজনীতি

কংগ্রেসে থেকেই বিদ্রোহ চালিয়ে যাচ্ছেন কৌস্তভ, মহুয়া ইস্যুতে অধীরের অবস্থানের কড়া সমালোচনা

এখনও কংগ্রেস ছাড়েননি। তবে দলে থেকে শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ চালিয়ে যাচ্ছেন অনবরত। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের ইস্যুতে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের ভূমিকায় চরম ক্ষুব্ধ কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী। এর আগে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকের পরেও প্রকাশ্যে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সমালোচনা করেছিলেন কংগ্রেসের এই তরুণ তুর্কী।এর আগে দলীয় নেতৃত্ব কৌস্তভকে মুখপাত্র পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে। যদিও কি জন্য তাঁকে সরানো হয়েছে সেই ব্যাখ্যা দেয়নি কংগ্রেস নেতৃত্ব। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বেশ কয়েকবার এক যোগে পদযাত্রা করেছেন কৌস্তভ। তবুও দল তাঁর বিরুদ্ধে কড়া কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। এবার তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের পাশে দাঁড়ানোয় আবার শীর্ষ নেতৃত্বকে তাক করে বোমা ফাটালেন তিনি।কৌস্তভ বাগচী বলেন, মহুয়া মৈত্রের পাশে দাঁড়িয়েছে দলীয় নেতৃত্ব। এরপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও পাশে দাঁড়াতে হবে। তাঁদের যত রাজ্যের দুর্নীতি তাকে সমর্থন করতে হবে। একটা স্পষ্ট ভাব-ভালোবাসার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কৌস্তভের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস কর্মীদের অবস্থা গিনিপিগের থেকেও খারাপ। এত পরীক্ষা নিরীক্ষা গিনিপিগদের নিয়েও হয় না। এবার থেকে চোরকে সাধু বলার অভ্যাস করতে হবে। তপন কান্দুর স্ত্রীকে দিয়ে শুরু করলে ভালো হয়। এই দায়িত্ব দলীয় নেতৃত্বকে নিতে হবে। চোরেদের সাধু বলানো। তৃণমূলীদের ভালো বলা এটা শুরু করতে হবে।এত ক্ষোভ প্রকাশের পরও কংগ্রেস নেতৃত্ব কৌস্তভের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেয়নি। আবার কৌস্তভও দলত্যাগ করে অন্য দলে যোগ দেননি। এখনও স্পষ্ট করেননি তিনি কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেবেন কিনা। কিন্তু নানা সামাজিক ইস্যুতে মমতার বিরুদ্ধে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে পা মিলিয়েছেন কৌস্তভ। সামনেই ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন। কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের জোট সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না রাজনৈতিক মহলও। লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রদেশ কংগ্রেসের সাংগঠনিক হালের আদৌ কি দশা তা নিয়ে বড় সংশয় দেখছে রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ০২, ২০২৩
রাজ্য

শুভেন্দু ও কৌস্তভ পাশাপাশি পা মেলালেন, বিকল্প রাজনীতির বড় ইঙ্গিত?

দিন কয়েক আগেই বাংলায় বিকল্প রাজনীতির ইঙ্গিত দিয়েছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস নেতা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচি। প্রশংসা করেছিলেন বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারীর। বঙ্গ রাজনীতিতে জল্পনা উস্কে দিয়েছিলেন কৌস্তভ। আর বুধবার কংগ্রেসের তরুণ নেতা কৌস্তভ বাগচী ও বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী হাঁটলেন একই মিছিলে। একেবারে পাশাপাশি! আবার এই মিছিল হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের সামনে দিয়েই। তবে, এদিনের মিছিলে কংগ্রেস বা বিজেপির পতাকা দেখা যায়নি। দুজনের হাতে ফ্ল্যাগও ছিল এক। মমতাকে কটাক্ষ করে লেখা ছিল তাতে- আই লাফ ইউ ডাই।দিন কয়েক আগেই বাংলায় বিকল্প রাজনীতির ইঙ্গিত দিয়েছিলেন প্রদেশ কংগ্রেসের আইনজীবী নেতা কৌস্তভ বাগচি। প্রশংসা করেছিলেন বিরোধী দলনেতার। বঙ্গ রাজনীতিতে জল্পনা উস্কে দিয়েছিলেন। আর বুধবার কংগ্রেসের তরুণ নেতা কৌস্তভ বাগচী ও বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী হাঁটলেন একই মিছিলে। একেবারে পাশাপাশি! আবার এই মিছিল হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের সামনে দিয়েই। তবে, এদিনের মিছিলে কংগ্রেস বা বিজেপির পতাকা দেখা যায়নি।কী বলছেন কৌস্তভ?বিজেপি নেতার সঙ্গে একসঙ্গে মিছিলে হাঁটায় কংগ্রেসের আপত্তি নেই? মিছিলে হাঁটার আগে কৌস্তভ বাগচি বলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা এই মিছিলে হাঁটলেও আমার আপত্তি ছিল না। কারণ এটা বঞ্চিতদের চাকরির দাবিতে আন্দোলন। দলীয় অনুশাসন নিয়ে কংগ্রেস নেতার বক্তব্য, এখানে কোনও দলের পতাকা নেই। এছাড়া, কংগ্রেস করার বাইরেও আমার একটা ব্যক্তি সত্ত্বা আছে, আইনজীবী সত্ত্বা আছে। তবে মনে হয় না এতে দলের কোনও আপত্তি থাকবে।শুভেন্দুর বক্তব্য-এটা অরাজনৈতিক আন্দোলন। আন্দোলনকারীরা কাকে মিছিলে ডাকবেন সেটা ও দের ব্যাপার। আমার মতাদর্শের বিরুদ্ধে যাঁরা মমতা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছেন তাঁদের মধ্যে কৌস্তভ বাগচি একজন। আজ মিছিলের জন্য আদালত থেকে যে অনুমতি মিলেছে তার নেপথ্যেও কৌস্তভ বাগচির অবদান রয়েছে। তাই একসঙ্গে হাঁটতে আপত্তি নেই। তাহলে কী এবার বিজেপির পথে কৌস্তভ? শুভেন্দু অবশ্য এ নিয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি। বিরোধী দলনেতার কথায়, বগটুই, ঝালদা সহ যেখানেই রাজ্য সরকারের অত্যাচার, বঞ্চনার বিষয়গুলো চোখে পড়েছে সেখানেই বিজেপি গিয়েছে। এখানেই একই বিষয়।শুভেন্দু ও কৌস্তভের বক্তব্যের সাদৃশ্যতা রাজ্য রাজনীতিতে ফের চর্চার রসদ জুগিয়েছে।শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, আগামী ৩রা অক্টোবর গ্রুপ ডি বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আমার মিটিং রয়েছে। আমরা ওদের সবচেয়ে ভাল আইনজীবী দিয়ে আইনি সহায়তা দেব। আর আর্জি জানাব বঞ্চিত সব চাকরি প্রার্থীরা নবান্ন অভিযান করুন। হিসাব হবে ওখানেই।অবশ্য, গত জুন মাসে ডিএ আন্দোলনকারীদের মঞ্চে শুভেন্দু অধিকারী ও কৌস্তভ বাগচিকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। চাকরির দাবিতে এ দিন কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে গ্রুপ ডি-র বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীরা মিছিল করেন। সেই মিছিলেই প্রথমবার দেখা যায় বিরোধী দলনেতাকে হাঁটতে। কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচিও অংশ নেন ওই মিছিলেই।হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযাই, থিয়েটার রোড-ক্যামাক স্ট্রিটের সংযোগস্থল থেকে শুরু হয় গ্রুপ ডি-র বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের মিছিল। নিজাম প্যালেসের সামনে দিয়ে রবীন্দ্র সদন মোড় , এস পি মুখার্জি রোড হয়ে মিছিল এগোয়। অর্থাৎ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের সামনে দিয়ে এই মিছিল যায়। হাজরা মোড়ে এসে এই মিছিলের সমাপ্তি।উল্লেখ্য গত বৃহস্পতিবারই কৌস্থভ বাগচি বলেছিলেন যে, তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমার কাছে শুভেন্দু অধিকারী অচ্ছুৎ নন। মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু বিরোধী দলনেতা হিসাবে ওনার পারফরমেন্স ছোট করা যাবে না। অস্বীকার করার কোনও জায়গা নেই। এমনকী আমি তো বলি যে, বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকেই শেখা উচিত। তৃণমূল বিরোধী লড়াইয়ের কোনও মঞ্চে একসঙ্গে থাকতেও আপত্তি নেই বলে স্পষ্ট করে দিয়েছেন কংগ্রেসের এই আইনজীবী নেতা।বঙ্গে বিকল্প রাজনীতি প্রসঙ্গে বলেছিলেন, বার বার বলছি, তৃণমূলকে বাংলা থেকে উৎখাত করতে হলে বিকল্প রাজনীতি প্রয়োজন। শুভেন্দু অধিকারী মাঝে মধ্যে যেসব মন্তব্য করেন তাতে ইঙ্গিত পাচ্ছি যে উনি বিজেপিতে থেকে শাসক দলের বিরুদ্ধে সবটা করতে পারছেন না। তাই বিকল্প রাজনীতিটা খুবই দরকার।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৩
রাজনীতি

কেন কংগ্রেসের কৌস্তভের মুখে বিজেপির শুভেন্দুর ভূয়সী প্রশংসা? ডাক দিলেন বিকল্প রাজনীতির

ইন্ডিয়া জোটে তৃণমূলের সঙ্গে কংগ্রেসের পাশাপাশি থাকার অবস্থান নিয়ে প্রথম থেকেই সোচ্চার কংগ্রেসের তরুণ তুর্কি নেতা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচি। সেজন্য তাঁকে মাসুল গুণতেও হয়েছে। হারিয়েছেন কংগ্রেসের মুখপাত্রের পদ। এবার তাঁর গলায় শোনা গেল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভূয়সী প্রশংসা। এমনকি বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেসকে হঠাতে বিকল্প রাজনীতির কথাও বলেছেন কৌস্তভ। বিকল্প ভাবনার কথা বললেও পুরোপুরি খোলসা করেননি কৌস্তভ। নতুন দলের কথা মুখে আনেননি।বৃহস্পতিবার কৌস্তভ বাগচি বলেন, তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমার কাছে শুভেন্দু অধিকারী অচ্ছুৎ নন। আমার সঙ্গে মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু বিরোধী দলনেতা হিসাবে ওনার পারফরমেন্স ছোট করা যাবে না। অস্বীকার করার কোনও জায়গা নেই। কৌস্তভ নাম না করে নিশানা করেছেন একসময়ের বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের আব্দুল মান্নানকে। কংগ্রেস নেতার কথায়, ২০১৬ সাল থেকে পাঁচ বছর কংগ্রেস বিধানসভায় প্রধান বিরোধী দল ছিল। আমার দলের একজন কংগ্রেস নেতা ছিলেন। কিন্তু তাঁকে কোনও সরকার বিরোধী আন্দোলনে সেইভাবে দেখা যায়নি। শুধু বড় বড় কথা শোনা যেত। অন্যদিকে বর্তমান বিরোধী দলনেতা অত্যন্ত ভোকাল। বিরোধী নেতা হিসাবে মানুষ শুভেন্দুবাবুকে দেখতে পান। ঠিক-ভুল নিয়ে আমার মতান্তর থাকতে পারে। কিন্তু মানুষ জানে কে বিরোধী দলনেতা। তৃণমূলের প্রতি সর্বভারতীয় কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে বারে বারে প্রশ্ন তুলেছেন কৌস্তভ। আব্দুল মান্নান কৌস্তভ সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন কে কৌস্তভ? তুচ্ছতাচ্ছিল্য ভাবে মন্তব্য করেছিলেন বলে অভিমত রাজনৈতিক মহলের। অভিজ্ঞ মহলের মতে মান্নানকে পাল্টা দিলেন কৌস্তভ। পাশাপাশি তৃণমূলকে উৎখাত করতে বিকল্প রাজনীতির ডাক দিয়েছেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপিতে থেকে খোলাখুলি রাজনীতি করতে পিছুটান হচ্ছে বলেও মনে করছেন আইনজীবী কংগ্রেস নেতা।কৌস্তভের মন্তব্য নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমি গত একবছর ধরে বলে আসছি, যে কয়েকজন এ রাজ্যে পতাকা নিরপেক্ষভাবে পিসি-ভাইপোর হাত থেকে বাংলার মানুষকে নিষ্কৃতি দিতে চাইছেন তাঁদের মধ্যে কৌস্তভ একজন। উনি নিজের শ্রী বৃদ্ধির কথা ভাবেননি। এটা তো ওনার সীমাবদ্ধ ক্ষমতার মধ্যে থেকে ভাল কাজ। বিকল্প রাজনীতি প্রসঙ্গে শুভেন্দুর বক্তব্য, বাংলায় বিজেপিই তৃণমূলের স্বাভাবিক বিকল্প। দলে শুভেন্দু কমফোর্ট জোনেই আছেন বলে জানিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৩
রাজ্য

কংগ্রেস নেতা আইনজীবী কৌস্তভ গ্রেফতার, পথে নামছে দল

গ্রেফতার করা হল কংগ্রেসের আইনজীবী নেতা কৌস্তভ বাগচিকে। শনিবার ভোররাতে কৌস্তভের ব্যারাকপুরের বাড়িতে পৌঁছে যায় কলকাতা পুলিশ। তার আগে চলে ব্যাপক তল্লাশি। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় কৌস্তভকে। রাজ্য কংগ্রেস মুখপাত্রকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয় বড়তলা থানায়। গ্রেফতারের সময় কৌস্তভ দাবি করেন, হয়রানি করতেই এই গ্রেফতারি। মুখ্যমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন। গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার সময় বড়তলা থানার পুলিশের সঙ্গে তুমুল কথা কাটাকাটি হয় কংগ্রেসের আইনজীবী এই নেতার। সাগরদিঘি উপ-নির্বাচনে জয়ী হয়েছে কংগ্রেস প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস। তারপরই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অধীর চৌধুরীর মেয়ে ও গাড়িচালকের মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারই পাল্টা সংবাদ মাধ্যমে বলেন কৌস্তভ বাগচি। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার দীপক ঘোষের লেখা বইয়ের কপি ছড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কংগ্রেস। ওই বইয়ের কথা তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কৌস্তভ। এরপরেই শুক্রবার ভোররাতে কংগ্রেসের এই যুব নেতার ব্যারাকপুরের বাড়িতে পৌঁছে যায় বটতলা থানার পুলিশ। সকাল ৮ টা নাগাদ গ্রেফতার করা হয় কৌস্তভ বাগচিকে। ইতিমধ্যে বড়তলা থানায় বিক্ষোভ দেখিয়েছে কংগ্রেস। বৃহত্তর আন্দোলনের পথে পা বাড়ানোর ঘোষণা করেছেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী।

মার্চ ০৪, ২০২৩

ট্রেন্ডিং

দেশ

নর্মদায় ভয়াবহ বিপর্যয়! পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী ডুবে মৃত্যু, আতঙ্কে দেশ

আনন্দময় ভ্রমণ মুহূর্তে পরিণত হল ভয়াবহ দুর্ঘটনায়। মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) নর্মদা নদীর জলাধারে ডুবে গেল একটি পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ছয় জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নৌকাটিতে প্রায় তিরিশ জন পর্যটক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে পনেরো জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি কয়েকজনের খোঁজে এখনও জোর তল্লাশি চলছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে (Madhya Pradesh)।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, নৌকাটি যখন জলাধারের মাঝামাঝি পৌঁছেছিল, তখন হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। প্রবল ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়। সেই সময় ভারসাম্য হারিয়ে নৌকাটি একপাশে কাত হয়ে জলের মধ্যে ডুবে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। ডুবুরিরা জল থেকে একে একে যাত্রীদের উদ্ধার করতে শুরু করেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে (Madhya Pradesh)।উদ্ধারকাজ তদারকি করছেন জব্বলপুর জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকরা। প্রথমে স্থানীয় দল উদ্ধারকাজ শুরু করলেও পরে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। রাত নেমে এলেও বাকি নিখোঁজদের খোঁজে অভিযান চালানো হচ্ছে। এই দুর্ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে বিস্ফোরক পরিস্থিতি! মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি, উত্তপ্ত কলকাতা

ভোট শেষ হতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে যায় তৃণমূল ও বিজেপি। দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে স্ট্রংরুমের বাইরে ধর্নায় বসেন তৃণমূলের প্রার্থী শশী পাঁজা ও কুণাল ঘোষ।ধর্না শেষে তাঁরা বাইরে বের হতেই বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ শুরু হয়। কেন তৃণমূলকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ দেখান বিজেপি সমর্থকরা। শুধু কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নয়, দুই দলের প্রার্থীদের মধ্যেও তুমুল বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠক।এদিকে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে পৌঁছে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই রয়েছে ভোট শেষে রাখা ইভিএম। এর আগে তিনি ইভিএম বদলের আশঙ্কা প্রকাশ করে কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।রাতের দিকে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছন বিরোধী দলের প্রতিনিধিরাও। তাঁদের সঙ্গে পুলিশের বচসার ঘটনাও সামনে এসেছে। অন্যদিকে ফিরহাদ হাকিম জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গেলেও ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।এর আগে মমতা কর্মীদের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, স্ট্রংরুম থেকে গণনাকেন্দ্র পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্ত নজরে রাখতে হবে। কোনও অবস্থাতেই ঢিলেমি করা যাবে না। গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দায়িত্ব ছেড়ে না যাওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য এই শেষ লড়াইটুকুও লড়তে হবে।এই ঘটনাকে ঘিরে এখন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ভোটের ফল ঘোষণার আগে ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে এই টানাপোড়েন নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

অশান্তিতে জ্বলছে বাংলা! ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা, বড় পদক্ষেপ কমিশনের

দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে ভোট-পরবর্তী হিংসা আটকাতে কড়া পদক্ষেপ নিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন । বৃহস্পতিবার প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল স্পষ্ট নির্দেশ দেন, যারা অশান্তি ছড়িয়েছে, তাদের আজ রাতের মধ্যেই গ্রেফতার করতে হবে।বুধবার ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই একাধিক এলাকায় রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে। সেই কারণে আগাম সতর্ক হয়ে উঠেছে কমিশন । বৈঠকে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে আলোচনা হয় মূলত ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটের মতোই ভোটের পরের পরিস্থিতিতেও কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। কোনও অশান্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। যারা গোলমাল করে পালিয়ে রয়েছে, তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোট শেষ হলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢিলেঢালা করা যাবে না। রাজ্যে এখনও ৭০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে। গণনার দিন এবং তার পরেও নিরাপত্তা যেন কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে ।উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোটের পর কলকাতার বেহালা ও গড়িয়া-সহ একাধিক জায়গা থেকে অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। জেলার বিভিন্ন অংশ থেকেও একই ধরনের অভিযোগ এসেছে। ২০২১ সালের ভোটের পরেও রাজ্যে হিংসার অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার আগে থেকেই কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বৃষ্টির মধ্যেই স্ট্রংরুমে মমতা! ইভিএম নিয়ে বড় সন্দেহ, বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূলের

ভোট মিটতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে জোরদার হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বৃহস্পতিবার বিকেলেই ভিডিও বার্তায় ইভিএম পাহারা দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Strongroom Controversy)। তিনি কারচুপির আশঙ্কার কথাও বলেন এবং স্ট্রংরুমে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেন। সেই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বৃষ্টির মধ্যে ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে স্ট্রংরুমে পৌঁছে যান তিনি।এদিকে একই সময় ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তৃণমূলের প্রার্থী কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা এবং বিজয় উপাধ্যায়। তাঁদের অভিযোগ, স্ট্রংরুমের ভিতরে (Strongroom Controversy) সন্দেহজনক কাজকর্ম চলছে। লাইভ সম্প্রচারে দেখা যাচ্ছে ভিতরে নড়াচড়া হচ্ছে এবং হাতে হাতে ব্যালট ঘোরানো হচ্ছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ভিতরে কোনও কাজ হচ্ছে না। এতে প্রশ্ন উঠেছে, যদি পোস্টাল ব্যালটের কাজই হয়, তাহলে সেই ব্যালট এল কোথা থেকে।কুণাল ঘোষ দাবি করেন, বিকেল সাড়ে তিনটে পর্যন্ত স্ট্রংরুমের সামনে দলীয় কর্মীরা ছিলেন। পরে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর আচমকা ইমেলের মাধ্যমে জানানো হয়, বিকেল চারটেয় স্ট্রংরুম খোলা হবে। তখন কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, তাঁরা আর সেখানে নেই (Strongroom Controversy)। খবর পেয়ে কুণাল ও শশী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন। কিন্তু সেখানে গিয়েও তাঁদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।এই ঘটনার জেরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। ইভিএম নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ফের। ভোটের ফল ঘোষণার আগে এই পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

কসবা গণনা কেন্দ্র নিয়ে বড় ধাক্কা তৃণমূলের! হাইকোর্টে জিতল কমিশন

কসবা বিধানসভা কেন্দ্রের গণনা কেন্দ্র পরিবর্তন নিয়ে হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনকে স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। জাভেদ খান-এর দায়ের করা মামলা খারিজ করে দেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানায়, গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম থেকে আলিপুরের বিহারীলাল কলেজে গণনা কেন্দ্র সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়ম মেনেই নেওয়া হয়েছে।তৃণমূলের তরফে অভিযোগ ছিল, কোনও নিয়ম না মেনেই হঠাৎ করে গণনা কেন্দ্র বদল করা হয়েছে। কিন্তু আদালত সেই অভিযোগ মানেনি। বিচারপতি জানান, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার সঠিক প্রক্রিয়া মেনেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এদিকে, আসন্ন ভোটগণনাকে সামনে রেখে আরও কড়া হয়েছে নির্বাচন কমিশন। গণনা কেন্দ্রে নিরাপত্তা বাড়াতে নতুন নিয়ম চালু করা হচ্ছে। এখন থেকে যাঁরা গণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করবেন, তাঁদের জন্য বিশেষ পরিচয়পত্র থাকবে, যাতে একটি কোড যুক্ত থাকবে। সেই কোড স্ক্যান করে তবেই ভিতরে ঢোকার অনুমতি মিলবে ।এই নতুন ব্যবস্থা ২ মে থেকে কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে অননুমোদিত কেউ যাতে গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন। গণনাকর্মী, এজেন্ট এবং সংবাদমাধ্যমসবাইকেই এই নতুন নিয়ম মানতে হবে।সব মিলিয়ে, গণনা কেন্দ্র নিয়ে আদালতের রায় এবং নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঘিরে রাজ্যে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
রাজ্য

রেজাল্টে চমক! আইএসসি-তে ৪০০-তে ৪০০, বাংলার মেয়েই দেশসেরা

প্রকাশিত হল আইসিএসই দশম ও আইএসসি দ্বাদশ শ্রেণির ফল। এ বছর আইসিএসই (ICSC Result) পরীক্ষায় পাশের হার ৯৯.১৮ শতাংশ এবং আইএসসি-তে পাশের হার ৯৯.১৩ শতাংশ। দুটি ক্ষেত্রেই পাশের হারে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।চলতি বছরে প্রায় ২ লক্ষ ৬০ হাজার পরীক্ষার্থী আইসিএসই (ICSC Result) পরীক্ষায় এবং প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার পরীক্ষার্থী আইএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। গত বছরও একই দিনে ফল প্রকাশ হয়েছিল। তখন আইসিএসই-তে পাশের হার ছিল ৯৯.০৯ শতাংশ এবং আইএসসি-তে ছিল ৯৯.০২ শতাংশ। সেই তুলনায় এ বছর সামান্য হলেও পাশের হার বেড়েছে।আইএসসি পরীক্ষায় (ICSC Result) এ বছর দেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মেয়ে অনুষ্কা ঘোষ। পানিহাটির বাসিন্দা এই ছাত্রী সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলের ছাত্রী। জানা গিয়েছে, সে ৪০০-র মধ্যে ৪০০ পেয়েছে। তবে এখনও সম্পূর্ণ মেধাতালিকা প্রকাশ হয়নি, ফলে একই নম্বর পেয়ে আরও কেউ প্রথম স্থানে থাকতে পারে।আইএসসি পরীক্ষায় মোট ৫৪ হাজার ১১৮ জন ছাত্র এবং ৪৯ হাজার ১৯৮ জন ছাত্রী অংশ নেয়। সেখানে মেয়েদের পাশের হার ৯৯.৪৮ শতাংশ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৮.৮১ শতাংশ। অন্যদিকে আইসিএসই পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫০৩ জন ছাত্র এবং ১ লক্ষ ২১ হাজার ২১৮ জন ছাত্রী। এখানে মেয়েদের পাশের হার ৯৯.৪৬ শতাংশ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৮.৯৩ শতাংশ।ফল দেখতে হলে পরীক্ষার্থীদের কাউন্সিলের সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের ইউনিক আইডি, ইনডেক্স নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর ফলাফল দেখা যাবে এবং তা ডাউনলোড করে রাখা যাবে। ডিজি লকারের মাধ্যমেও ফল দেখা ও মার্কশিট সংগ্রহ করা সম্ভব।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের ফলের আগে বড় ধাক্কা! গণনাকেন্দ্র নিয়ে হাইকোর্টে জোড়া মামলা

বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগে গণনাকেন্দ্রের বিন্যাস ও কর্মী নিয়োগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জোড়া মামলা দায়ের করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দুটি আলাদা সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য।প্রথম মামলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, গণনাকেন্দ্রের সুপারভাইজার পদে শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী নিয়মের বিরুদ্ধে এবং এতে গণনার নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। তিনি এই বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন।অন্যদিকে, বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মামলার মূল আপত্তি গণনাকেন্দ্রের স্থান পরিবর্তন নিয়ে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার সংখ্যা কম থাকায় এবং কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবার গণনাকেন্দ্র কমিয়ে এক জায়গায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মতে, হঠাৎ করে এইভাবে গণনাকেন্দ্র বদল করা আইনসঙ্গত নয়।নির্বাচন শুরু হওয়ার পর থেকেই কমিশনের একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক দেখা গিয়েছিল। এবার গণনা শুরুর আগেই সেই বিতর্ক আরও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটোর সময় এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মাঝেই হাওয়া বদল! কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ভিজছে বাংলা

ভোটের দ্বিতীয় পর্ব চলাকালীন হঠাৎ করেই বদলে গেল আবহাওয়া। তুমুল বৃষ্টি আর কালবৈশাখীর ঝড়ে অনেকটাই স্বস্তি মিলেছে গরম থেকে। হাওয়া দফতর জানিয়েছে, আপাতত তীব্র গরমের আশঙ্কা নেই। তবে আজও রাজ্যের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গে আবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে কালবৈশাখীর দমকা হাওয়া ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে বইতে পারে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে। এই পরিস্থিতি উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলাতেও দেখা যেতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ঝড়-বৃষ্টি বেশি হতে পারে। বজ্রসহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।উত্তরবঙ্গেও পরিস্থিতি বেশ গুরুতর হতে পারে। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে অতি ভারী বৃষ্টি, অর্থাৎ প্রায় দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ঝড়ো হাওয়া, বজ্রপাত ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।শুক্রবার ও শনিবারও দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকবে। রবিবারও ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়।সকাল থেকে আকাশ কখনও মেঘলা, কখনও আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। মেঘলা আকাশ ও দমকা হাওয়ার কারণে গরমের অস্বস্তি অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal